কোরবানীর পশুর হাটকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ঝিনাইদহের গরু খামারীরা। গবাদি পশুর যাতে অসুখ-বিসুখ না হয়— সেজন্য সতর্কতার সঙ্গে দেখভাল করছেন তারা। বাজারে বিদেশি গরু না এলে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তারা।
এদিকে, হঠাৎ করেই পশু খাদ্য ও ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন খামারীরা। সেই সঙ্গে পশু পরিবহণের সময় চাঁদাবাজী বন্ধের দাবি জানান তারা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঈদের কোরবানির হাটকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন গো-খামারীরা।
এ বছর জেলার প্রায় দশ হাজার পরিবার প্রায় ৪৫ হাজার গরু পালন করছে। গরুর পরিচর্যায় দিন-রাত ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। শেষ মুহূর্তে যাতে গবাদি পশুর অসুখ-বিসুখ না হয়, গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন সেটিও।
এছাড়াও হঠাৎ করে পশু খাদ্য ও ওষুধের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতি খরচ বেশি হচ্ছে। তার ওপরে কোরবানীর হাটে পশু পরিবহণের সময় বিভিন্ন জায়গায় চাঁদাবাজি হওয়ায় আশঙ্কা করছেন তারা।
আর শেষ মুহূর্তে বাজারে বিদেশি গরু আমদানি না হলে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন দেশিয় খামারীরা।
কোরবানীর গবাদি পশুর হাট যাতে সুশৃঙ্খলভাবে হয় সেজন্য এরইমধ্যে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ঝিনাইদহের সহকারি পুলিশ সুপার গোপীনাথ কানজিলাল।