গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার সোনাখালী গ্রামের প্রায় ২৫০ পরিবার ক্ষতিকারক স্টেরয়েড ইনজেকশন বা ট্যাবলেট না খাইয়েই গরু মোটাতাজা করে থাকেন।
খড়, ভূষি আর প্রাকৃতিক ঘাষ খাইয়ে তারা গরু মোটাতাজা করে তা বাজারে বিক্রির উপযোগী করে তোলেন। যুগ যুগ ধরে এ গ্রামের লোকজন গরু লালন-পালন করে তা বাজারে বিক্রি করে সংসার চালিয়ে আসছেন। এ গ্রামের মানুষ এটাকেই প্রধান পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ঈদের আগে এসব গরু বিভিন্ন কোরবানীর পশুর হাটসহ আশপাশের এলাকার হাটে বিক্রি হবে। ভাল দাম পাওয়ার আশায় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার সোনাখালী গ্রামের প্রায় ২৭০০ গরু আকর্ষণীয় করে তুলতে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা।
গরু মোটাতাজা ও লালন-পালনে সবুজ ঘাস, ভূষি, খৈল, খড় ও সুষম খাবারেই বেশি আস্থা রাখছেন খামারিরা। বাজার থেকে ছোট ছোট গরু কিনে তা ৬ থেকে ৭ মাস লালন-পালন করে বছরের এ সময়টা ভাল দামেই বিক্রি করেন তারা।
তবে প্রতিবেশী দেশ ভারত থেকে গরু না এলে আরো বেশি লাভবান হবেন বলে আশাবাদী খামারিরা। ক্ষতিকর ইনজেকশন বা ট্যাবলেট ব্যবহার না করে দীর্ঘমেয়াদী অর্থ বিনিয়োগ, কঠোর পরিশ্রম ও আন্তরিকতার সঙ্গে পশু মোটাতাজা করে থাকেন তারা।
জেলার প্রাণী বিভাগ থেকে এসব গরু খামারিদেরকে বুদ্ধি-পরামর্শ এবং টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিয়ে থাকেন বলে জানালেন জেলার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আতাউর রহমান চৌধুরী।
এরইমধ্যে গরুকে কোনো রকম মোটাতাজা করার ওষুধ না দিয়েও মোটা-তাজা করা যায় তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এ অঞ্চলের খামারীরা।