ঈদকে সামনে রেখে মাগুরায় জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। বিভিন্ন হাট ঘুরে দেখে-শুনে পছন্দের পশু কিনছেন ক্রেতারা। তাদের অভিযোগ, গতবারের চেয়ে এবার দাম কিছুটা বেশি। বিক্রেতারাও বলছেন, পশু খাদ্যের দাম বাড়ায় পশুর দামও বেড়েছে।
এদিকে, শেষ সময়েও কোরবানির পশু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন রাজবাড়ি ও যশোরের খামারিরা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, মাগুরা জেলার ৪টি উপজেলার ১৯টি হাটে জমেছে কোরবানী ঈদের পশু বেচাকেনা। এসব হাটে পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহের পাশাপাশি রয়েছে ব্যপক সংখ্যক ক্রেতা সমাগম।
বিভিন্ন হাট ঘুরে দর-দাম করে পছন্দের পশু কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা। তবে পশুর দাম গত বছরের তুলনায় বেশি বলে অভিযোগ তাদের।
বিক্রেতারা দাবি, ক্ষতিকর হরমন প্রয়োগ ছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে এসব পশু মোটাতাজাকরণ করা হয়েছে। তবে পশু খাদ্যের দাম বাড়তি থাকায় এবার পশুর দামও কিছুটা বেশি।
হাটগুলোতে নিরাপদ পশু সরবরাহ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পাশাপাশি রয়েছে জালনোট সনাক্ত করার ব্যবস্থা।
এদিকে, গত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় গরু আমদানী বন্ধ থাকায় যশোরে ছোট-বড় প্রায় ১১ হাজার খামারে গবাদী পশুর পরিচর্যা করা হচ্ছে। ঈদকে সামনে রেখে শেষ সময়েও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন খামারিরা।
কোরবানির ঈদের স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এসব পশু দেশের অন্যান্য জেলাতেও সরবরাহ করা সম্ভব বলে জানিয়েছে জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ।
এদিকে, গবাদি পশুর পরিচর্যায় রাজবাড়ীর খামারিরাও এখন ব্যস্ত। এ বছর জেলায় ছোট-বড় আট শতাধিক খামারে প্রায় ২০ হাজার গরু-ছাগল প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা হয়েছে। তবে পশু খাদ্যের দাম বাড়ায় লোকসানের আশংকা করছেন খামারীরা।