পদ্মায় নাব্যতা সঙ্কট ও তীব্র স্রোতের কারণে দক্ষিণবঙ্গের ২৩ জেলার নৌপথে ফেরি চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। ঈদকে সামনে রেখে নৌপথ সচল রাখতে ৭টি ড্রেজারের মাধ্যমে পদ্মার পলি অপসারণের কাজ অব্যাহত থাকলেও সচল রাখা যাচ্ছে না নৌপথ।
যে কারণে ঈদে এসব নৌপথে ঘরমুখো মানুষের চরম ভোগান্তির আশংকা দেখা দিয়েছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, উজান থেকে নেমে আসা স্রোতের সঙ্গে প্রচুর পরিমাণে পলি গিয়ে জমে পদ্মার শিমুলিয়া-কেওড়াকান্দি নৌপথে। এতে হঠাৎ করেই সৃষ্টি হয়েছে নাব্যতা সংকট। এ কারণে ফেরি চলাচল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
ওই রুটে ১৬টি ফেরির মধ্যে গত ১০ দিন ধরে ৫টি রো রো ফেরি একেবারেই বন্ধ রয়েছে। এছাড়াও ছোট-বড় ১১টি ফেরি চলাচল করলেও প্রতিনিয়তই ডুবোচরে আটকে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।
প্রতিদিনই মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কেওড়াকান্দি নৌপথ দিয়ে পারাপার করে কয়েকশ যানবাহন। এর মধ্যে পণ্য বোঝাই ট্রাকের সংখ্যাই বেশি।
নৌপথের লৌহজং টার্নিংয়ে এখন পানি বইছে মাত্র ৬ ফুটের ওপর দিয়ে। স্বাভাবিকভাবে ফেরি চলাচলের জন্য কমপক্ষে ৭ ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহের দরকার। এ কারণেই ফেরির তলা আটকে যাচ্ছে নদীর তলদেশে।
নৌপথ সচল রাখতে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ৭টি ড্রেজারের মাধ্যমে পদ্মার তলদেশের পলি অপসারণের কাজ অব্যাহত রেখেছে।
তবে তীব্র স্রোতে ড্রেজারগুলো সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না বলে জানিয়েছেন বিআইডব্লিউটিএর ড্রেজিং বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিউল্লাহ।
অবশ্য নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান জানিয়েছেন, ঈদের সময় ফেরি পারাপার সচল ও নির্বিঘ্ন রাখতে সব ধরনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।