বজ্রপাতে টাঙ্গাইল, রাজশাহী, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে— এরমধ্যে টাঙ্গাইলে মারা গেছে একই পরিবারের তিন জন।
মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের মধুপুরে একই পরিবারের তিন জন বজ্রপাতে মারা গেছেন।
টাঙ্গাইলের মধুপুরগড় এলাকার মাগন্তিনগর গ্রামে বজ্রপাতে একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু ও আহত হয়েছে একজন।
তারা হলেন: নিখিল হাজং (৪০) এবং তার দুই ছেলে জজ সিমসাং (১০) ও লোটন সিমসাং (৮)।
আহত হয়েছেন নিখিলের স্ত্রী জনতা সিমসাং।
মধুপুর থানারা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে বজ্রপাতের সময় পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিল। আহত জনতা সিমসাংকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে, সুনামগঞ্জ ও দিরাইয়ে বজ্রপাতে দুই জেলে নিহত এবং আরো পাঁচ জন আহত হয়েছেন।
দিরাই থানার ওসি মো. আব্দুল জলিল বলেন, সকাল ১০টার দিকে উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের সাকিতপুর গ্রাম সংলগ্ন আতনি বিলে বজ্রপাতে তারা মারা যান।
নিহতরা হলেন- মাটিয়াপুর গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে মো. শামীম মিয়া (২৮) এবং একই গ্রামের মো. আব্দুল হাসিমের ছেলে মো. তহুর আলী (২৫)।
আহতরা হলেন- একই গ্রামের হাফিজ আলীর ছেলে মো. হামিদ মিয়া, সাঞ্জব আলীর ছেলে রুবেল মিয়া, রহমত আলীর ছেলে মো. ফারুক মিয়া, আব্দুল হেকিমের ছেলে হুসেন মিয়া ও নিয়ামত আলীর ছেলে ছুরত মিয়া। গুরুতর আহত হামিদ মিয়া ও রুবেল মিয়াকে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং অন্যদের দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বজ্রপাতে রাজশাহীর তানোরেও দুই জনের মৃত্যু হয়— এছাড়া জেলার পুঠিয়া ও বাগমারায় আরো দুইজন মারা যান। সকাল ১০টার দিকে কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার করমসী গ্রামের এক বাড়িতে বজ্রপাত পড়ে এতে মা-ছেলের মৃত্যু হয়। আহত হয় মেয়ে। তাকে উদ্ধার করে তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।