সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যার ঘটনায় কামরুল সিকদার ওরফে মুছাকে ধরিয়ে দিতে পাঁচ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার এক সংবাদ সম্মেলনে এ পুরস্কার ঘোষণা করেন।
মুছাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলে আলোচিত এ হত্যা মামলার জট খুলবে বলে জানান তিনি।
এদিকে, মুছার স্ত্রীর দাবি, তার স্বামীকে গত ২২ জুন ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ। তবে মুছার স্ত্রীর এ দাবি অস্বীকার করে আসছে পুলিশ।
মিতু হত্যা রহস্য তার স্বামী সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের অন্যতম সোর্স মুছাতেই আটকে আছে।
এ মামলার আসামি ও পুলিশের তথ্যানুসারে, মুছাই জানে এ খুনের নেপথ্যে কে বা কারা জড়িত। কিন্তু মুছারই হদিস নেই। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর জালেই মুছা আছে এমন গুঞ্জন থাকলেও এ খবর উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ।
এদিকে, গ্রেপ্তার ভোলা ও মনিরের রিমান্ডের নিয়েও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মিতু হত্যায় গ্রেপ্তার ওয়াসিম ও আনোয়ারের বক্তব্যে উঠে আসে বাবুল আক্তারের অন্যতম সোর্স মুছার নাম।
পুলিশও বলছে, খুনের আদ্যোপান্ত জানে মুছাই কিন্তু সেই মুছাকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। যদিও আনোয়ার ও ওয়াসিমকে গ্রেপ্তার করার পর পুলিশের ইঙ্গিত ছিল মুছাসহ অন্য আসামিরা তাদের জালেই আছে।
জবানবন্দিতে আনোয়ার ও ওয়াসিম বলেছে, হত্যার আগের দিন মুছার বাসায় রাতযাপন করেন। খুনের পর মুছার মোটরসাইকেলে করেই পালিয়ে যায় ওয়াসিম ও নবী। খুনের জন্য মুছা তাদের প্রত্যেককে এক হাজার করে টাকা দেয়। এসব বক্তব্যে প্রমাণ হয় এ খুনের পরিকল্পনাকারী কে তা মুছাই বলতে পারবে।
পুলিশ বলছে, মুছাকে গ্রেপ্তার করতে পারলে মামলার তদন্ত অনেকটাই শেষ হয়ে আসবে।
উল্লেখ, গত ৫ জুন সকালে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু।