জেলার খবর

তিন পার্বত্য জেলায় পাঁচ বাঙালি সংগঠনের ডাকা হরতাল চলছে

হরতাল চিত্র
হরতাল চিত্র

তিন পার্বত্য জেলায় পাঁচ বাঙালি সংগঠনের ডাকা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে চলছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনের সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাসের প্রতিবাদে ও বান্দরবানের গ্রেপ্তার হওয়া বাঙালি নেতা আতিকুর রহমানের মুক্তির দাবিতে এই হরতাল ডাকা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে আগামী রোববার পর্যন্ত দুই দফায় হরতাল চলবে।

রাঙামাটি শহরের ভেদভেদী, কলেজ গেট, বনরূপা, কাঁঠালতলি, ফিশারি ঘাট, পুরাতন বাসস্টেশন, রিজার্ভ বাজার ও তবলছড়ি এলাকায় হরতালের সমর্থনে পিকেটিং চলছে— পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণস্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

হরতালে সড়ক ও নৌপথে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরতরা পায়ে হেঁটে হেঁটে কর্মস্থলে যাচ্ছেন। ওইসব এলাকায় দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

সংগঠন পার্বত্য নাগরিক পরিষদ, পার্বত্য গণপরিষদ, পার্বত্য সম-অধিকার আন্দোলন, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য বাঙালি ছাত্র ঐক্য পরিষদ হরতাল পালন করছে।

এ হরতালের সমর্থনে নেতা-কর্মীরা ভোর থেকে রাঙামাটি শহরের বিভিন্ন জায়গায় পিকেটিং করেছে।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার (এসপি) মো. সাঈদ তারিকুল হাসান জানান, হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে চলছে— কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

গত ৬ অক্টোবর পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনের সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়। এর আগে এ বছরের ১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইন (সংশোধন) ২০১৬ চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। ৫ আগস্ট সংশোধনী আইনে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করেন এবং ৮ আগস্ট তা গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সভাপতি ও বাঙালিদের পাঁচটি সংগঠনের আহ্বায়ক আক্কাস আল মামুন বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনের সংশোধনীতে শুধু উপজাতিদের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, তিন পার্বত্য জেলার প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী ৩১ হাজার ৬২০ পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে— কিন্তু তাদের ভূমির কবুলিয়ত দেয়ার সময় প্রথা, রীতি ও পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি। তাই তারা সবাই ভূমি হারাবে অথচ তাদের রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে পুনর্বাসন করা হয়েছিল।

আক্কাস আল মামুন আরো বলেন, ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে স্থানীয় কোনো বাঙালি প্রতিনিধিকে রাখা হয়নি। এতে, আঞ্চলিক পরিষদ ও পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সার্কেল-প্রধানের প্রতিনিধিরা কোনোভাবে জনসংহতি সমিতি ও ইউপিডিএফের প্রভাবমুক্ত হতে পারবেন না।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অপার জীবনানন্দ’

শৌচাগারের দরজায় বঙ্গবন্ধুর ছবি পোস্ট, কারাগারে তরুণ

৮ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যায় চারজনের ফাঁসি

তেঘরিয়া কবরস্থানে সমাহিত হলেন শিক্ষাবিদ আব্দুল আলী

উখিয়া শরণার্থী শিবিরে দুই রোহিঙ্গা নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মেয়রসহ গুলিবিদ্ধ তিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ