বগুড়ার শেরপুরে সারবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে পুলিশ বহনকারী ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে পুলিশের পাঁচ সদস্যসহ সাত জন নিহত ও কমপক্ষে আহত হয়েছেন ছয় জন। এদিকে, ধুনেটে ও নাটোরে ২ জন মারা গেছেন।
শনিবার রাত সোয়া মধ্যরাতের দিকে উপজেলার মহিপুর বাজার এলাকায় ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কে দুর্ঘটনায় তারা নিহত হন।
পাঁচ পুলিশ সদস্য হলেন: সামছুল ইসলাম, আলমগীর হোসেন, শাজাহান কবির, সোহেল রানা ও প্রণব রায়। তারা কুড়িগ্রাম জেলায় কর্মরত ছিলেন।
অন্য দুজন হলেন: জেলা পুলিশের পরিচ্ছন্নতাকর্মী শ্যামল দাস ও পুলিশ বহন করা ট্রাকের চালক।
আহত ছয় জনের মধ্যে তিনজন পুলিশের সদস্য। তারা হলেন মইনুল ইসলাম, রুবেল চৌধুরী ও মনোয়ার হোসেন। আহত বাকি তিনজন হলেন দুর্ঘটনাকবলিত সারবোঝাই ট্রাকের চালক, তার সহকারী এবং পুলিশ বহন করা ট্রাকের চালকের সহকারী। তাদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন।
শেরপুর থানার পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মো. এরফান বলেন, পুলিশের রিকুইজিশন করা ট্রাকটি ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। ট্রাকে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ ও পুলিশের বেতার সদস্যরা ছিলেন। বগুড়াগামী সারবোঝাই ট্রাকটি বিপরীত দিক থেকে আসছিল। সারবোঝাই ট্রাকটি বেপরোয়াভাবে চালাচ্ছিলেন চালক। মহিপুর বাজার এলাকায় দুটি ট্রাকের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ জানায়, আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পুলিশের এক সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আহত চারজন বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আহত অপর একজন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে, বগুড়ার ধুনোট ও নাটোরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ২ জন মারা গেছেন।
নাটোরের বনপাড়ায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত হয়েছে একজন। আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। ধুনেটে একজন মারা গেছেন।