গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের মাদারপুর আর জয়পুর সাঁওতাল পল্লীর শিশু, নারী ও পুরুষরা এখনো রোববার অবরুদ্ধ রয়েছে।
এলাকার বাইরে বের হলেই দুর্বৃত্তদের হাতে হামলার শিকার হতে হচ্ছে তাদের।
নিরাপত্তাহীনতা, আতঙ্ক আর গ্রেপ্তারের ভয়ে অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। কোন কাজ করতে না পারায় দিন কাটছে প্রায় না খেয়ে। এভাবে মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি সাঁওতাল পল্লীর মানুষজন। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু ত্রাণ সহায়তা পেলেও পুনর্বাসনের জন্য এখনো কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তবে, স্থানীয় জেলা প্রশাসক তাদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছেন।
আজ-রোববার আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শনে আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল যাওয়ার কথা রয়েছে।
বিশিষ্টজনেরাও সাঁওতাল পল্লীতে হামলার ঘটনা সরেজমিনে পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানা গেছে।
কর্মহীন অবস্থায় প্রায় না খেয়ে দিন কাটছে মাদারপুর-জয়পুর সাঁওতাল পল্লীর আতংকিত নারী-পুরুষ-শিশুদের। স্থানীয় প্রশাসন কিংবা দুএকটি মানবাধিকার সংগঠনের সহায়তায় মাঝেমধ্যে খাবারের ব্যবস্থা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই অপ্রতুল।
সর্বশান্ত হয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন তারা। তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে মানবাধিকারসহ বিভিন্ন সংগঠনের কর্মীরা।
যেসব লোকের কারণে নিজেদের ন্যায্য অধিকার থেকে সাঁওতালরা বঞ্চিত তাদের শাস্তির দাবি জানান ঘোড়াঘাট আদিবাসী ফেডারেশন সেক্রেটারি মাখিয়াস মার্ডি।
গোবিন্দগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ সুব্রত কুমার সরকার বলেন, নিরাপত্তাহীনতার কোনো কারণ নেই।
শনিবার পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে ক্ষুদ্র এ নৃগোষ্ঠীর মানুষের খোঁজখবর নিতে যান জেলা প্রশাসক। ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণসহ তাদের স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন তিনি।