গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে হামলার শিকার সাঁওতাল পল্লীর আতঙ্কে এখনো কাটছে না— এক সপ্তাহ পরেও খোলা আকাশের নীচে দিন কাটছে ক্ষতিগ্রস্তদের। নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি রয়েছে চরম খাদ্যাভাব।
এদিকে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিভিন্ন দল, সংগঠন ও সুশীল সমাজের নেতারা সাঁওতালদের হত্যা ও উচ্ছেদের বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং তাদের পুনর্বাসন দাবি করেছেন।
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে সাঁওতাল ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী অধ্যুষিত মাদারপুর বাগদা ফার্ম এলাকায় হামলার এক সপ্তাহ পর এখনো এলাকাতে আতঙ্ক কাটেনি। আশ্রয়স্থল হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে বাস করছেন সাঁওতালরা। চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ক্ষতিগ্রস্থ তারা।
বাগদা ফার্ম এলাকায় সাঁওতালদের ঘর-বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার পর এখন সেখানে দেওয়া হচ্ছে কাঁটা তারের বেড়া। উচ্ছেদ করা সেই স্থানের জমিতেও ট্রাকটর দিয়ে হাল চাষ করা হচ্ছে আর জমির নিরাপত্তায় রয়েছে পুলিশ।
হামলা ও হত্যার বিচারের দাবি জানিয়েছেন বিপন্ন জনপদের বাসিন্দারা। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, আন্দোলনের নামে ইন্ধন জোগানোর জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যান দায়ী।
এদিকে, ঘটনাস্থলে গিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা সহানুভূতি জানাচ্ছেন । সরকারের পক্ষ থেকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে, সাঁওতালদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ঘটনার বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিশন দাবি জানিয়েছেন আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং।
জমি ফিরিয়ে দেয়ার নামে হাতিয়ে নেয়া টাকা স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছ থেকে ফেরত চেয়েছেন সাঁওতালরা।