কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টার সময় ১০৭ রোহিঙ্গা ও টেকনাফের নাফ নদীতে রোহিঙ্গাবাহী ৮টি নৌকাকে ফিরিয়ে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি।
সীমান্তে কড়া নজরদারির মধ্যেও কিছু রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।
কক্সবাজারের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছেই। নিজ দেশে সেনাবাহিনীর নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে আসা এসব রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগকেই প্রতিদিন ফিরিয়ে দিচ্ছে কোস্টগার্ড ও বিজিবি। তারপরও স্থল কিংবা জলসীমানার ফাঁকফোকর দিয়ে তারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছেই।
বৃহস্পতিবার ভোরে উখিয়া সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে ১০৭ রোহিঙ্গাকে বাধা দেয় বিজিবি। পরে তাদের মিয়ানমার ফেরৎ পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৮ জন শিশু ও ৩০ জন নারী ছিলেন— এছাড়া, নাফ নদীর ছয়টি পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বহনকারী ৮টি নৌকা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে তাদেরও ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে।
এসব নৌকার প্রতিটিতে ১০ থেকে ১৫ জন করে রোহিঙ্গা ছিল বলে জানিয়েছে বিজিবি।
এদিকে, সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কক্সবাজার গেছেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবুল হোসেন।
বিকেলে সেখানে পৌঁছে উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।
আগামীকাল- শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে তার।
রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বুধবার দুদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় কক্সবাজারে। বৈঠকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেয় মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিজিপি।
মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়নের শিকার হয়ে রোহিঙ্গারা কয়েকযুগ ধরে বাংলাদেশে এসে বসবাস করছে। বেসরকারি হিসেবে বর্তমানে এদেশে পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা রয়েছে।