পাক-হানাদারদের পরাজিত করে একাত্তরের এদিনে বিকেলে লাল সবুজের পতাকা উড়িয়ে হানাদার মুক্ত ঘোষণা করা হয় জয়পুরহাটকে।
স্বাধীনতার চার দশক পেরিয়ে গেলেও এখানকার অনেক শহীদ পরিবারই এখনো পায়নি কোনো সরকারি সহযোগিতা। তাই এ হানাদারমুক্ত দিবসে শহীদ পরিবারগুলোকে সরকারি সহযোগিতার পাশাপাশি দেশকে যুদ্ধাপরাধী মুক্ত করার দাবি মুক্তিযোদ্ধাদের।
এ দিন আরো মুক্ত হয় দিনাজপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বান্দরবান।
১৯৭১ এর ২৪ এপ্রিল পাক হানাদাররা বগুড়ার সান্তাহার থেকে ট্রেনে করে এসে দখলে নেয় জয়পুরহাট। এর পরদিন ২৫ এপ্রিল শুরু করে জয়পুরহাটে অগ্নি সংযোগ, লুটপাট ও হত্যাযজ্ঞ। আর ২৬ এপ্রিল দেশীয় দোসরদের সহযোগিতায় জয়পুরহাটের কড়ই কাদিপুরে হত্যা করে ৩৭১জন নিরীহ গ্রামবাসীকে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বিভিন্ন সময়ে এ গ্রামে হত্যা করা হয় আরো প্রায় ১০ হাজার শরণার্থীকে। এছাড়াও, জেলার পাগলা দেওয়ানে জুম্মার নামাজ থেকে ধরে এনে হত্যা করা হয় ১৮জনকে।
স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরও জয়পুরহাটের শহীদদের গণকবরগুলোর স্বীকৃতি মেলেনি।
পাকিস্তানি হানাদারদের সঙ্গে তুমুল যুদ্ধ শেষে এভাবেই ৭১ এর এই দিনে শত্রুমুক্ত হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর, সিরাজগঞ্জ ও বান্দরবান জেলা।