জেলার খবর

সারাদেশেই জেঁকে বসেছে শীত, বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে

সারাদেশেই জেঁকে বসেছে শীত
সারাদেশেই জেঁকে বসেছে শীত

তিন দিন ধরে চলা হালকা থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

কাল -শনিবারও দেশজুড়ে তাপমাত্রা কম থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আর এ শৈত্যপ্রবাহটি চলে গেলেও ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে আরো তীব্রতা নিয়ে আরেক দফা শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে।

শীতজনিত অসুস্থতা থেকে রক্ষা পেতে বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক মানুষদের সতর্ক থাকতে বলেছেন হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের সিনিয়ন ইএমও, ডা. মো. আবুল হাশেম।

ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি--এ তিন মাস শীতকাল হলেও এ মাসই মাঝামাঝিতে এসে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সারাদেশের জনজীবন। দেখা দিয়েছে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘন কুয়াশা, প্রচণ্ড শীত আর কনকনে বাতাসে কাবু হয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল। বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা অনেক কমে এসেছে।

গত তিন ধরে চলা শৈত্যপ্রবাহ আরো দু-এক দিন চলতে পারে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল মান্নান।

তবে এরপর এ সপ্তাহেই আবারো শৈত্যপ্রবাহ আসতে পারে বলে জানান তিনি।

এদিকে, বৈরি আবহাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ। শীতজনিত অসুস্থতা থেকে রক্ষা পেতে বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের বেশি সতর্ক থাকতে বলছেন চিকিৎসকরা।

এছাড়া, সারাদেশেই জেঁকে বসেছে শীত—কোনো কোনো জায়গায় সূর্যের দেখা মিললেও বাড়ছে শীতের তীব্রতা।

প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে ঠাণ্ডায় কষ্টে রয়েছেন ছিন্নমূল মানুষেরা। বেড়েছে শীতজনিত রোগের প্রকোপ।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গতকাল থেকে শুক্রবার বারও রংপুর ও সিলেট বিভাগের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে শুরু করেছে।

নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে শীতের তীব্রতা বোঝা না গেলেও পৌষের শেষে ঘন কুয়াশা, তীব্র শীত ও কনকনে ঠাণ্ডায় বিপর্যস্ত দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

মৃদু শৈত্য প্রবাহে জেলা পঞ্চগড়ে গত ৪ দিনে সূর্যের মুখ দেখতে পায়নি মানুষ। তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও খেটে খাওয়া মানুষ। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না কেউ।

শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় চরম কষ্টে রয়েছে দিনাজপুরের মানুষ। ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স ও চিকিৎসকরা।

শীতে অবর্ণনীয় কষ্টে আছেন মৌলভীবাজার জেলার মানুষ। কনকনে ঠাণ্ডায় স্থবির হয়ে পড়েছে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ ও দরিদ্র চা শ্রমিকদের।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ বলেন, ঘন কুয়াশা ও বাতাসে জলীয় বাষ্পের কারণে বেড়েছে শীতের তীব্রতা।

দেশটিভি/আরসি
দেশ-বিদেশের সকল তাৎক্ষণিক সংবাদ, দেশ টিভির জনপ্রিয় সব নাটক ও অনুষ্ঠান দেখতে, সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল:

এছাড়াও রয়েছে

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অপার জীবনানন্দ’

শৌচাগারের দরজায় বঙ্গবন্ধুর ছবি পোস্ট, কারাগারে তরুণ

৮ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যায় চারজনের ফাঁসি

তেঘরিয়া কবরস্থানে সমাহিত হলেন শিক্ষাবিদ আব্দুল আলী

উখিয়া শরণার্থী শিবিরে দুই রোহিঙ্গা নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে মেয়রসহ গুলিবিদ্ধ তিন

সর্বশেষ খবর

স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার নারী দিবস উদযাপন

শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন মোস্তাফিজুর রহমান

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউল্যাব’ শিক্ষার্থীদের ফটোওয়াক

ভান্ডারিয়া ও মঠবাড়িয়ায় পৌর প্রশাসক নিয়োগ