সারাদেশে বইতে শুরু করেছে উত্তরের হিমেল হাওয়া। হাড় কাঁপানো শীতের সঙ্গে যোগ হয়েছে কুয়াশা আর শৈত্যপ্রবাহ। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় কনকনে শীতে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন উত্তরবঙ্গের মানুষ।
তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সঙ্গে ঘন কুয়াশা। সারাদেশের কোথাও কোথাও সূর্যের দেখা মিললেও শীতের দাপট কমেনি। শীতবস্ত্র না থাকায় কষ্টে আছেন, এসব এলাকার ছিন্নমূল মানুষেরা।
হাড়কাঁপানো শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে কুড়িগ্রাম অঞ্চলের মানুষের জীনবযাত্রা। তাপমাত্র ততো একটা নয়, কিন্তু হালকা শৈত্যপ্রবাহ যেন বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা। গত কয়েক দিনে জেলার তাপমাত্রা ওঠা নামা করছে ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে।
প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ভিড় হাসপাতাল-ক্লিনিকগুলোতেও। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরাই।
সাতক্ষীরাতেও হাড়কাঁপানো শীত। সন্ধ্যার আগেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যায় চারপাশ। সূর্যের দেখা মিলছে না সারাদিনেও। হাড়কাঁপানো শীতে ঘরের বাইরে যেতে পারছেন না মানুষ। কাজকর্ম করতে না পারায় বিপাকে পড়েছেন তারা। কষ্টে আছেন ছিন্নমূল মানুষ।
ঠাণ্ডায় মানুষের জীবন যাত্রা থমকে গেছে। হিমেল হাওয়া, কনকনে শীত আর ঝির ঝির বৃষ্টিতে শীত যেন আরো কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।