বিচারিক আদালত পুরান ঢাকা থেকে কেরানীগঞ্জে স্থানান্তরে প্রধান বিচারপতির সুরেন্দ্র কুমার সিনহা সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন।
সোমবার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার পরিদর্শনে গিয়ে প্রধান বিচারপতি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।
এ সময় তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় কারাগারের আশপাশে আদালত না থাকায় অনেক দুর্ঘটনা ঘটে, কারণ কাশিমপুর কারাগার থেকে আনা নেয়া করতে আসামি ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এজন্য দুর্ধর্ষ আসামিদের আদালতে আনা খুই ঝুঁকিপূর্ণ এজন্য কারাগারের পাশে নিম্ন আদালত থাকলে এ ঝুঁকিটা থাকবে না।
প্রধান বিচারপতি পিলখানার বিডিআর বিদ্রোহ মামলা খুব দ্রুতই নিষ্পত্তি করার কথাও বলেন।
প্রধান বিচারপতি আইজি প্রিজনকে কারাগারে একটি উন্নত লাইব্রেরি করে কয়েদিদের বইগুলো পড়তে দেয়ার নির্দেশ দেন।
কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রধান ফটকের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে প্রধান বিচারপতিতে নানা বিষয়ে অবগত করেন সিনিয়র জেল সুপার জাহাঙ্গীর কবির। তিনি প্রথমে পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কারাগার থেকে কেরানীগঞ্জে আসামিদের নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি তোলে ধরেন।
আইজি প্রিজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন বলেন, আমাদের কারাগারে গ্যাস না থাকায় প্রতিদিন কয়েক টন লাকড়ি পুড়িয়ে আসামিদের জন্য রান্না করা হচ্ছে— এছাড়া লাকড়ি রাখার কোনো গোডাউন নেই। আসামিরা যেকোনো সময় লাকড়ি অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। এজন্য বিষয়টি নিয়ে আমাদের সারাক্ষণ সংশয়ের মধ্যে থাকতে হয়।
কারাগার পরিদর্শনে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে চারজন রেজিস্ট্রার রয়েছেন। তাদের নিয়ে কারাগার ঘুরে দেখছেন এবং কয়েদিদের সঙ্গে কথা বলেন।