মিয়ানমারের নির্যাতন বন্ধ করে তাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে দিয়ে সমস্যা সমাধান করতে আন্তর্জাতিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে— উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনাররা।
হাইকমিশনারা হলেন: ব্রিটেনের অ্যালিসন ব্লেক, কানাডার বেনোয়া পিয়ের লারামি ও অস্ট্রেলিয়ার জুলিয়া নিব্লেট।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিদর্শন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত হাইকমিশনাররা।
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকায় দুটি রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করার পর এ মন্তব্য করেন ব্লেক। তার সঙ্গে কানাডার হাইকমিশনার বিনো পিয়েরে লারামি ও অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জুলিয়া নিব্লেট ছিলেন।
এ সময় তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সম্প্রতি পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মুখ থেকে সেখানকার সেনাবাহিনীর হত্যা-ধর্ষণ, দমন-পীড়নের বর্ণনা শোনেন।
অ্যালিসন ব্লেক বলেন, ‘শিবির পরিদর্শন করে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অবস্থা জানা গেল, পালিয়ে আসা রোহিঙ্গারা সে দেশে সেনাবাহিনীর হাতে নির্যাতন, ধর্ষণ ও হত্যার বর্ণনা দিয়েছেন। এ নির্যাতন গণহত্যার শামিল।’
আর পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় বাংলাদেশে সরকারকে ধন্যবাদ জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনাররা।
এর আগে উখিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এসিএফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন তারা।