গোপালগঞ্জের অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার নেই— শহীদ মিনার কী, শহীদ দিবসের তাৎপর্যই বা কী তাও বোঝে না অধিকাংশ শিক্ষার্থী।
ভাষা আন্দোলনের গৌরবময় ইতিহাস জানাতে স্কুলগুলোতে দ্রুত শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা করা দরকার বলে মনে করেন অভিজ্ঞমহল।
গোপালগঞ্জ জেলার ৮২২টি প্রাথমিক ও ১৯৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এরমধ্যে জেলা সদর বা উপজেলা সদরের কয়েকটি বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার রয়েছে। ভাষা আন্দোলনের ৬৫ বছরেও গোপালগঞ্জের প্রায় ৯০ ভাগ স্কুলে শহীদ মিনার নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।
তবে, শহীদ দিবসে কোথাও কোথাও বাঁশ, কলা গাছ বা মাটি দিয়ে শহীদ মিনার তৈরি করে শহীদের শ্রদ্ধা জানানো হয়। দ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার তৈরির দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
অধিকাংশ স্কুলে শহীদ মিনার নেই স্বীকার করেই জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদ ভূঁইয়া বলেন, জেলায় যেসব স্কুলে শহীদ মিনার নেই সেখানে বিকল্প পন্থায় শ্রদ্ধা জানানো হয়ে থাকে।
জেলার সব স্কুলগুলোতে যাতে শহীদ মিনার তৈরি করা যায় সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমান সরকার।
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে স্কুলগুলোতে দ্রুত শহীদ মিনার প্রতিষ্ঠা করা হবে এমনটাই প্রত্যাশা গোপালগঞ্জবাসীর।