সিলেটের শিববাড়ির আতিয়া মহলে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে চলা অভিযান ‘টোয়াইলাইট’ শেষে হতে না হতেই মৌলভীবাজারে আলাদা ২টি জায়গায় মিলেছে নতুন জঙ্গি আস্তানার খবর। এর একটি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বড়হাটে। অন্যটি সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের কামারগাঁও গ্রামে।
এর মধ্যে কামারগাঁওয়ে জঙ্গিদের আত্মসমর্পনের আহ্বান জানালে ভেতর থেকে গুলি ও গ্রেনেড ছুঁড়ে তারা। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। এদিকে, জননিরাপত্তার স্বার্থে দুটি এলাকাতেই ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ৩টা থেকেই র্যাব ও পুলিশ বাড়ি দুটি ঘিরে রাখে। সরিয়ে নেয়া হয় বাড়ির আশপাশের মানুষকে। বুধবার সকালে র্যা ব ও পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় ঢাকা থেকে আসা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সোয়াত) সদস্যরা বিকেলে গিয়ে অভিযানে যোগ দেয়। পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে তারা র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
আর সকালে কামারগাঁও গ্রামের একটি বাড়িতে থাকা জঙ্গিদের আত্মসমর্পণের আহবান জানালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লক্ষ্য করে গুলি ও গ্রেনেড ছোঁড়ে তারা। জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। পুলিশের ধারণা, এখানে একাধিক জঙ্গি রয়েছে। ২টি এলাকাতেই গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে।
এদিকে, জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে, পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড ও খলিলপুর ইউনিয়ন কমপ্লেক্সের দুই বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এ নির্দেশ বহাল থাকবে।
সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানার আশপাশ থেকে লোকজনকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে ঘিরে রাখা বাড়ি দুটির মালিক হচ্ছেন সাইফুর সাব্বির ও আতব্বর মিয়া। তারা একই পরিবারের সদস্য এবং দুই জনই লন্ডন প্রবাসী।