মৌলভীবাজারের ২টি জঙ্গি আস্তানার আশপাশের বাসিন্দাদের মধ্যে এখনও আতঙ্ক কাটেনি। শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে ভয় পাচ্ছে। শহরের বড়হাটের আস্তানার ৩০০ মিটারের মধ্যে এখনও ১৪৪ ধারা বহাল আছে। এদিকে, আলামত যাতে নষ্ট না হয় এ জন্য ২টি আস্তানা পুলিশ কর্ডন করে রাখা রেখেছে।
মৌলভীবাজারে বড়হাট ও নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানা ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শ্বাসরুদ্ধকর ৮২ ঘন্টার অপারেশন ‘হিটব্যাক’ ও অপারেশন ‘ম্যাক্সিমাস’ অনেক আগে শেষ হলেও এখনও আতংক কাটেনি স্থানীয়দের। পুরো এলাকা জুড়ে উদ্বেগ, উৎকন্ঠা।
স্থানীয়রা জানান, তারা বুঝতেও পারেননি বাড়ি ভাড়া নিয়ে এভাবে জঙ্গি আস্তানা গড়ে তোলবে কেউ।
মৌলভীবাজারের নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানাটির পাশেই একটি স্কুল। তবে, আস্তানাটিতে শিশু থাকলেও তাদেরকে স্কুলে ভর্তি করে নাই জঙ্গিরা। এমনকি তাদের কারো সঙ্গে মিশতে বা খেলতেও দিতোনা বলে অভিযোগ প্রতিবেশীদের।
অভিযান চলাকালে বন্ধ ছিল বড়হাট ও নাসিরপুরের আস্তানার আশপাশের স্কুল। অভিযান শেষ হলেও নিস্তব্দ পরিবেশই জানান দিচ্ছে শিক্ষার্থীদের মনের অবস্থা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমে গেছে।
এদিকে, শহরের বড়হাটের আস্তানার তিনশো মিটারের মধ্যে এখনও ১৪৪ ধারা বহাল আছে। আলামত যাতে নষ্ট না হয় এ জন্য ২টি আস্তানাই পুলিশ কর্ডন করে রেখেছে।
এর আগে, মার্চের ২৯ তারিখ মৌলভীবাজারের নাসিরপুরে সোয়াটের অভিযান ‘হিটব্যাকে’ মারা যায় ৭ জন আর বড়হাটে জঙ্গিবিরোধী অভিযান ‘ম্যাক্সিমাসে’ মারা যায় ৩ জন।