অকাল বন্যায় হাওরাঞ্চলে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাব দেখা দিয়েছে। এছাড়া পানিতে সবকিছু তলিয়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে গবাদী পশু-খাদ্যেরও সংকট। পানির তোড়ে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় প্রতিদিনই হাওরাঞ্চলের পানি বাড়ছে।
অবনতি হয়েছে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলবীবাজারের বন্যা পরিস্থিতির।
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট আগাম বন্যায় মৌলভীবাজারের হাওরাঞ্চলের ধানের ক্ষতির পর, হাওরবাসীর সম্বল মাছ ও হাঁসেও মড়ক লাগে। হাওর পারের ৩৫ হাজার কৃষক ও জেলে পরিবারে এখন চলছে হাহাকার।
এদিকে, শনিবার মৌলভীবাজারের হাকালুকি হাওর পরিদর্শন করেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মাসুদ হোসেন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় হাওরে পর্যপ্ত পরিমানে মাছের পোনা অবমুক্ত করার কথা জানান সচিব। একই সঙ্গে গোখাদ্য কেনার জন্য নগদ টাকা ও ক্ষতিগ্রস্ত হাঁস মালিকদের জন্য হাঁসের বাচ্চা বিতরন করা হবে বলেও জানান তিনি।
সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। বন্যায় মাছের মড়কের পর আগের মতো আর মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা। এ অবস্থায় বিকল্প কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছেন তারা।
এদিকে, কিশোরগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত হাওরবাসীর মধ্যে ত্রাণ বিতরণ কর্মসুচি চলছে। তবে অনেক জায়গাতেই এখনো কোন ত্রাণ পৌঁছায়নি আর যেসব জায়গায় ত্রাণ দেয়া হয়েছে, তা বিলি-বণ্টনেও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।