চটাগ্রাম ও কক্সবাজার উপকূলের দিকে এগিয়ে আসছে ঘূণিঝড় ‘মোরা’— চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ সম্বর সতর্কতা সঙ্কেত জারি করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। সোমবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পণ্য ওঠা-নামার কাজও বন্ধ রয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলায় চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ ধেয়ে আসছে বাংলাদেশের দিকে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’ পূর্ব-মধ্যে বঙ্গোপসাগরে ও আশপাশের এলাকা থেকে উত্তর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড়ের কারণে, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের কারণে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা সঙ্কেত জারি করেছে। বন্দরের সব ভারি যন্ত্রপাতি ও জাহাজ নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। উজানের দিকে অবস্থান নিতে বলা হয়েছে লাইটার জাহাজগুলোকে।
বহিঃনোঙ্গরে পণ্য খালাস বন্ধ করার পাশাপাশি অভ্যন্তরেও সতর্কতার সঙ্গে কাজ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন দুপুরে জরুরি সভা করেছে। খোলা হয়েছে ৪৭৯টি আশ্রয়কেন্দ্র। উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করে মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে বলা হচ্ছে।
এদিকে, জেলা সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষ ১৬টি কন্ট্রোলরুম খুলেছে। বাতিল করা হয়েছে ডাক্তার-নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের ছুটি।জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণাধীন সব সরকারি কর্মকর্তার ছুটিও বাতিল করা হয়েছে।
উপকূলীয় এলাকার সবগুলো সাইক্লোন শেল্টার খোলা রাখার নির্দেশ জারির পাশাপাশি দুর্যোগ মোকাবিলায় সব ধরণের প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।