রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় পাহাড়ি জনপদে হামলা ও অগ্নিসংযোগের পর সেখানের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলেও এখনো মানুষের মাঝে আস্থা ফিরে আসেনি। অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি পরিবারগুলো এখনো নিজেদের ভিটায় ফেরেনি।
এদিকে, সংগঠিত ঘটনায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ ব্যাপক ধরপাকড় করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ও পুলিশের ডিআইজি।
ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক যুবলীগ নেতা নয়ন হত্যার জেরে গত শুক্রবার রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় সহিংস ঘটনা ঘটে। অগ্নিসংযোগে পুড়ে যায় পাহাড়িদের দুই শতাধিক বসতঘর। এ ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলেও মানুষের জীবনযাত্রা এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি পরিবারগুলো নিরাপত্তার অভাবে এখনো তাদের ভিটায় ফেরত আসেনি।
পাহাড়ি গ্রামে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় পুলিশের করা মামলায় ব্যাপক ধরপাকড় চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তার আতঙ্কে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা এখনো পুরুষ শূন্য হয়ে রয়েছে। পাহাড়িরা নিজ ভিটা ছেড়ে পাশের গ্রামে আত্মীয় বা পরিচিতদের বা অন্যত্র অবস্থান করছে।
এদিকে, আগুন-সন্ত্রাসের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ডিআইজি এসএম মনিরুজ্জামান।
স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে সরকারের সহযোগিতা চার লংগদুর সাধারণ পাহাড়ি বাঙালিরা।