পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটিতে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। রাঙামাটি -চট্টগ্রাম সড়ক যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে আর দেখা দিয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য ও জ্বালানি তেলের সংকট। তবে শহরের কিছু কিছু অংশে বিদ্যুৎ সংযোগ চালু হয়েছে। চতুর্থ দিনেও সেখানে চলছে উদ্ধার অভিযান। পাহাড় ধসে এ পর্যন্ত রাঙামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রামে নিহত হয়েছেন ১৪৭ জন।
পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটিতে চতুর্থ দিনের মতো শুক্রবার সকাল থেকে উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে। সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও চট্টগ্রাম থেকে এসে যোগ দেওয়া উদ্ধারকারী দলের সঙ্গে স্থানীয়রাও সহযোগিতা করছেন। শহরের ভেদভেদী, দক্ষিণ মুসলিম পাড়া, লোকনাথ মন্দির ও রূপনগর এলাকায় উদ্ধার অভিযান চলছে। সকালেই কাপ্তাই হ্রদের সার্কিট হাউজ এলাকা থেকে একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করেন উদ্ধারকর্মীরা।
রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত জায়গা থেকে এখনো মাটি সরানোর কাজ চলছে। মূল সড়কের পাশে চলছে বাইপাস সড়ক নির্মাণের কাজ। তবে ভাঙন ও পাহাড় ধসের কারণে এখনো সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
এদিকে, ৩ দিন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার পর বৃহস্পতিবার রাতে শহরের কিছু কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু হয়েছে। তবে, উদ্ভুত পরিস্থিতিতে শহরে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় ঢুকতে পারছে না তেলবাহী লরি।
মজুদ ফুরিয়ে যাওয়ায় দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট। এ সুযোগে খুচরা ব্যববসায়ীরা প্রায় দ্বিগুন দামে বিক্রি করছে পেট্রোল, অকটেন। বেশি দামে জ্বালানি তেল কেনায় যাত্রীদের কাছ থেকেও আদায় করা হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।