পাহাড় ধসের ঘটনায় রাঙামাটির সঙ্গে চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির সড়ক যোগাযোগ এখনো বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
রাঙামাটির সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করতে অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
সড়ক উন্নয়নে এরইমধ্যে রাঙামাটি সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে ২ কোটি ৫ লাখ টাকার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।
প্রবল বর্ষণে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম, রাঙামাটি-বান্দরবান, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ৭টি রুটের ১৪৫টি স্থানে পাহাড় ভেঙে রাস্তা ধসে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়কের মানিকছড়ি এলাকা থেকে ঘাগড়া পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার সড়কও।
এছাড়া, ৩৭টি স্থানে রাস্তা ভেঙে পড়ায় ঘাগড়ার শালবাগান এলাকার সড়কটি ৬১ কিলোমিটার এলাকায় একশ ফুট সড়ক ২০০ থেকে ৩০০ ফুট পাহাড়ের নিচে ধসে গেছে।
এদিকে, খাগড়াছড়ি-রাঙামাটি সড়কের ৭০ মিটার সড়ক ৪০ থেকে ৫০ ফুট গভীরে তলিয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ক্ষতিগ্রস্ত মূল সড়কের পাশে পাহাড় কেটে বাইপাস করে সড়ক তৈরির চেষ্টা করছেন সেনবাহিনীর সদস্য ও সড়ক বিভাগের কর্মীরা তবে, এখনো বন্ধ রয়েছে সড়ক যোগাযোগ বলে জানিয়েছেন রাঙামাটির সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদ হোসেন।
সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদেরকে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বার্হী প্রকৌশলী আরো জানান, এরইমধ্যে রাঙামাটিতে ২ কোটি ৫ লাখ টাকার বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। আগামী দুই তিন দিনের মধ্যে এ সড়কে প্রাথমিকভাবে হালকা যান চলাচল করতে পারবে।