রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে হতাহতদের পরিবারের অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন শহরের বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্রে। সেখানে সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থা হলেও ভবিষ্যতের কথা ভেবে দিশেহারা তারা।
নতুন করে ঘরদোর তৈরি আর জীবিকার কোনো বন্দোবস্ত নেই। আশ্রয় কেন্দ্র থেকে কোথায় যাবেন, কীভাবে আবার ঘুরে দাঁড়াবেন জীবনযুদ্ধে বুঝে উঠতে পারছেন না ক্ষতিগ্রস্ত হতবিহ্বল মানুষগুলো।
গত ১৩ জুন প্রবল বর্ষণে রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে হতাহতদের পরিবারের অনেকেই আশ্রয় নেন শহরের বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে। শহরের ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছেন ৬৪৩টি পরিবারের নারী, শিশু, পুরুষ মিলে কমপক্ষে ২ হাজার ৯০০ জন।
জানা গেছে, কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত খাবার, পানি প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হচ্ছে। ১২টি মেডিকেল টিম নিয়মিত আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এছাড়া, লুঙ্গি, শাড়ি, কাপড়সহ ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে।
তবে, আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা মানুষগুলো ভবিষ্যতের কথা ভেবে দিশেহারা। আশ্রয় কেন্দ্র থেকে কোথায় যাবেন বুঝে উঠতে পারছেন না ক্ষতিগ্রস্তরা। নতুন করে যে ঘর বানাবেন সে অর্থও নেই তাদের কাছে।
এদিকে, উদ্ধার তৎপরতার বিষয়েও ক্ষোভ জানিয়ে অনেকে অভিযোগ করেন এখনও তাদের স্বজনদের মৃতদেহ খুঁজে পাননি তারা।
অপরদিকে, পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশেসিং বলেন, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে পুর্নবাসন করা হবে।
তিনি বলেন, মৃতদেহ এখনো খোঁজা হচ্ছে, পাওয়া গেলে তাদের সৎকারের ব্যবস্থা করা হবে।