যশোর-মাগুরা সড়কের ভাঙা সীমাখালী ব্রিজ ও ভাঙাচোরা যশোর-ঝিনাইদহ সড়কের কারণে ঈদে যশোর-খুলনা অঞ্চলের ঘরমুখো মানুষ ব্যাপক দুর্ভোগে পড়েছেন।
এছাড়া মহাসড়কে বেআইনি ইজিবাইক, নসিমন-করিমন ও যত্রতত্র হাটবাজার ঈদ যাত্রাকে আরো ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, দ্রুত এসব সমস্যার সমাধান করা হউক।
ঈদ আসলেই সড়ক ও জনপদ বিভাগের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতো যশোর-খুলনা মহাসড়ক।
তবে সরকার এ মহাসড়কটির মেরামত করায় বর্তমানে আর সে অবস্থা নেই। তাই এবার সবাই ধরে নিয়ে ছিলেন ঈদে স্বাচ্ছন্দে ঘরে ফিরতে পারবেন। কিন্তু তাতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে যশোর-মাগুরা মহাসড়কের সীমাখালী ব্রিজ।
গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় এ রুটে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
সাধারণ যাত্রী আর পরিবহন শ্রমিকরা বলেন, ঝিনাইদহের সড়কটি সংকীর্ণ ও ভাঙাচোরা। ঈদে যে পরিমাণ যানবাহন চলাচল করবে তাতে এ সড়কে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হতে পারে। আর তখন ঘরমুখো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে।
এছাড়া মহাসড়কগুলোতে এখনো চলছে বেআইনি নসিমন-করিমন আবার রাস্তার উপর বসছে অনুমোদনহীন হাট-বাজার। এসব কারণে যানজট সৃষ্টির পাশাপাশি দুর্ঘটনারও আশংকা রয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ঘরমুখো মানুষদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গির আলম।
এদিকে, সড়ক-মহাসড়কের যানজট নিরসনে হাইওয়ে পুলিশের ৩ হাজার সদস্য ঈদের সময় তৎপর থাকবেন বলে জানিয়েছেন যশোরের হাইওয়ে সার্কেল এ এস পি হাফিজুর রহমান।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নেবে- এমনটাই প্রত্যাশা সবার।