রাঙামাটিতে পাহাড় ধসে স্বজন হারানো অসংখ্য মানুষের এবারের ঈদ কাটবে ১৯টি আশ্রয়কেন্দ্রে।
অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন দুর্গতরা।
গত ১৩ জুন দিবাগত রাত থেকে পরবর্তী কয়েকদিন রাঙমাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও মৌলভীবাজারে পাহাড় ধসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। রাঙামাটিসহ বিভিন্ন জেলার পাহাড় ধসে নিহত হয়েছে ১৫৭ জন।
শহরের ১৯টি আশ্রয় কেন্দ্রে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ২ হাজার ১১০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।
স্বজনহারা দুর্গত এ মানুষগুলোর এবারের ঈদ কাটবে আশ্রয়কেন্দ্রে। তাদের কাছে ঈদ তাই নিয়ে আসেনি কোনো আনন্দের বার্তা।
আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা এসব মানুষেরা অর্থের অভাবে তাদের সন্তানের জন্য নতুন কাপড়তো নয়ই একটু সেমাই চিনির ব্যবস্থাও করতে পারেননি।
পাহাড় ধসে স্মরণকালের ভয়াবহ এ বিপর্যয়ে শুধু আশ্রয় কেন্দ্র নয় গোটা জেলার ঈদ আনন্দেতেই ছায়া ফেলেছে।
এখনো বিপর্যয় আর মৃত্যুর স্মৃতি ভুলতে পারেননি রাঙামাটির মানুষ।