প্রবল বর্ষণে পাহাড় ধসের পর ২২ দিন পার হলেও রাঙামাটি-মহালছড়ি-খাগড়াছড়িতে সড়ক চালু হয়নি।
পায়ে হেঁটে যাতায়েত করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ওই সব এলাকার মানুষদের।
সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ রয়েছে শিশু-বৃদ্ধ ও রোগীদের। স্কুল যাওয়া প্রায় বন্ধ।
রাস্তা ঠিক না হওয়ায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে কাঁচা ফলমূল ও সবজি।
রাঙামাটির সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. এমদাদ হোসেন বলেন, আগামী ১০ দিনের মধ্যে সড়কের সংস্কার কাজ শেষ করে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করা সম্ভব হবে।
গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে ভারি বর্ষণের কারণে রাঙামাটি-মহালছড়ি-খাগড়াছড়ি ৬৪ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কের দুইটি অংশ ধসে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামটি থেকে খাগড়াছড়ি সড়কের ৬ কিলোমিটার এলাকার সাপছড়ির খামারপাড়ায় ২৫ মিটার ও কুতুবছড়ির কেসিং এলাকায় ৩৫ মিটার রাস্তা ৭০ ফুট গভীরে ধসে গেছে। এছাড়া মানিকছড়ি থেকে মহালছড়ি পর্যন্ত ৪১টি স্পটে মূল সড়কের বিভিন্ন অংশ ধসে গেছে।
জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক কিছুদূর পায়ে হেঁটে আবার কিছুদুর সিএনজি অটোরিকসা করে নিজ গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন মানুষজন। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকায় নষ্ট হচ্ছে উৎপাদিত কৃষিপণ্য।
রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানগুলোতে মাটি সরানোর কাজ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত মূল সড়কের মাটি পরিষ্কার করে দুইটি স্পটে পুরোপুরি ধসে যাওয়া সড়কে কালভার্ট নির্মাণ করে পুনরায় সড়ক চালুর চেষ্টা করছে সড়ক বিভাগ।
এদিকে, দ্রুত সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংস্কার করে সড়ক যোগাযোগ সচল করবে এমনটাই প্রত্যাশা ভুক্তভোগীদের।