চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন বানভাসী লাখো মানুষ।
সিরাজগঞ্জ, শেরপুর, জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা ও রংপুর নদ-নদীর পানি কমে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সব এলাকায় পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিশুদ্ধ পানি, খাবার ও গো-খাদ্যের সংকটের পাশাপশি দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ।
কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ি থেকে দ্রুত পানি সরে না যাওয়ায় দুর্ভোগ কমেনি এসব এলাকার বন্যা দুর্গতদের। খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটে রয়েছেন তারা। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে পানি বাহিত রোগ।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত রয়েছে। জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা ও রংপুর নদ-নদীর পানি সামান্য হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।
চলমান বন্যায় চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন দেশের ১৩টি জেলার মানুষ। দু-একটি জায়গায় পানি নেমে যেতে শুরু করলেও দুর্ভোগ পিছু ছাড়ছে না বানভাসি মানুষের।
কুড়িগ্রাম:
কুড়িগ্রামের ব্রহ্মপুত্রের অববাহিকার নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ি থেকে দ্রুত পানি সরে না যাওয়ায় দুর্ভোগ কমেনি এসব এলাকার বন্যা দুর্গতদের। খাদ্য ও বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটে রয়েছেন তারা। বন্যা কবলিত এলাকায় দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ সবগুলো নদ-নদীর পানি হ্রাস অব্যাহত রয়েছে। জামালপুর, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা ও রংপুরে নদ-নদীর পানি সামান্য হ্রাস পেয়ে বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে চরম দুর্ভোগ।
শেরপুর:
উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানি ব্রহ্মপুত্র নদের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে পুরনো ভাঙ্গা অংশ দিয়ে প্রবেশ করায় শেরপুর সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী, কামারের চর ও চরমোচারিয়া ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এসব গ্রামের অনেক সবজির ক্ষেত, পাটক্ষেত ও বীজতলা পানিতে তলিয়ে গেছে।
জামালপুর:
পানি কমায় জামালপুরের বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে, এখনো পানিবন্দি হয়ে রয়েছেন জেলা সদর, ইসলামপুর, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ, দেওয়ানগঞ্জ, সরিষাবাড়ি, বকশীগঞ্জ উপজেলায় প্রায় ৪৪টি ইউনিয়নে দেড় লাখেরও বেশী মানুষ। পানিতে ভেসে বন্ধ হয়ে গেছে জেলার ৩০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
মৌলভীবাজার
মৌলভীবাজারের বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। কুশিয়ার নদীর পানি শেরপুর পয়েন্টে বিপদসীমার ১১ সেন্টিমিটার, শেওলা পয়েন্টে ৯১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বেড়েছে হাওরেও।
সিলেট:
উজানের থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারনে এখনো বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে সিলেটের সুরমা, কুশিয়ার তিনটি পয়েন্টের পানি। তবে, ভোগান্তি কমেনি পানিবন্দী মানুষের।