চলতি বর্ষায় নীলফামারীর ডিমলায় দুই হাজার মিটার বালুর বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে।
তিন দফায় তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রাবহিত হওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধটি। দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসীরা।
গত ২০১৫ সালে স্থানীয়দের উদ্যোগে তিস্তা নদী বেষ্টিত ডিমলা উপজেলা টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ি-পূর্বখড়িবাড়ি গ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০০ মিটার বালুর বাঁধের। গত বছরের বন্যায় বাঁধটি পানিতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় ২০ হাজার মানুষ। নষ্ট হয়ে যায় ঘরবাড়ি, শত শত একর জমির ফসল।
স্থানীয়দের উদ্যোগে বাঁধটি নির্মাণ করা হলে এবারের বন্যায় রক্ষা পান স্থানীয়রা কিন্তু তিন দফায় তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়া ফের হুমকির মুখে পড়েছে বাঁধটি। আবারো পানি বাড়লে বাঁধটি বিলীন হওয়ার আশংকা মাথায় রেখে বাঁধটি স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন স্থানীয়রা।
আর বন্যার হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং বাঁধটি রক্ষায় স্বেচ্ছাশ্রমে অংশ নিচ্ছেন বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠন।
স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধটি পরিদর্শন করে স্থানীয়দের উপকার পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন নীলফামারীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খালেদ রহীম।
জেলা প্রশাসনের শীর্ষ এই কর্মকর্তা বলেন, বালুর বাঁধটি রক্ষায় একটি প্রকল্প ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
উল্লেখ, ২০১৪ সাল থেকে বন্যার পানিতে আক্রান্ত হওয়া শুরু করলে ২০১৫ সালে বাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া স্থানীয়ভাবে। ২০১৬ সালে বিলীন হলেও ২০১৭ সালের উপকারিতার মাথায় রেখে অতিদ্রুত সেখানে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে দাবি এলাকাবাসীর।