বৈরি আবহাওয়ার কারণে সোমবার বন্ধ রয়েছে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি ফেরি চলাচল—এতে ওই নৌ-রুটে ৪ শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।
এদিকে, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা, সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি হ্রাস পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি হলেও দেশের বিভিন্ন জেলায় নদী ভাঙন তীব্র হয়েছে।
কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে চট্টগ্রাম শহরের সড়কগুলোতে কোমর সমান পানি জমে গেছে। এতে, ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।
মৌলভীবাজারের কুশিয়ারা নদীর পানি কমতে শুরু করলে হাকালুকি ও কাউয়াদিঘির পানি না কমায় জেলার বড়লেখা, জুড়ি, কুলাউড়া, রাজনগর ও সদর উপজেলার অধিকাংশ এলাকার রাস্তাঘাট ও বাড়িঘর এখনো পানিতে তলিয়ে রয়েছে। এতে জেলার প্রায় তিন লাখ মানুষের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই।
দুর্গত এলাকায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ বানভাসীদের।
এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত রোগ। এদিকে, দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও উজানের নেমে আসা পানিতে নদী ভাঙন আরো তীব্র আকার ধারণ করেছে।
দেশের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। পানি কমতে শুরু করেছে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা, সুরমা ও কুশিয়ারা সহ অন্যান্য নদ-নদীর। তবে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে কোনো কোনো জেলায় নদী ভাঙন তীব্র হয়েছে।
বন্যা দুর্গত বিভিন্ন এলাকায় পানি কমতে শুরু করলেও বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার, গো খাদ্যের সংকট ও পানিবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
কোথাও হাঁটু পানি, কোথাও বা কোমর পানি। আবার কোন কোন এলাকায় বসতবাড়ির একতলায় পানি জমে গেছে। বন্যা নয়, এ চিত্র টানা ৪দিনের ভারি বর্ষণের।
দুদিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রামের পানি জমে যায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায়। এরমধ্যে নগরীর চকবাজার, বাদুরতলা, বহদ্দারহাট, আগ্রাবাদ, মুরাদপুরসহ আরো বেশ কয়েকটি এলাকা উল্লেখযোগ্য।
এ বৃষ্টি যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামবাসীর জীবনে—এরমধ্যে আবার যানজট।
পতেঙ্গা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছেন, বৃষ্টি আরো হতে পারে।