সড়ক দুর্ঘটনায় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন রাশেদ কবির (৫৫)মারা গেছেন।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জানাজা শেষে মরদেহ ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে পাবনার বেড়া উপজেলার চাকলার ছন্দা এলাকায় পাবনা-ঢাকা মহাসড়কে বাস খাদে পড়ে যায়।
এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কমপক্ষে নয়জন তাদের বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গতকাল রাতে যাত্রীবাহী একটি এসি বাসে করে ঢাকা থেকে পাবনায় যাচ্ছিলেন রাশেদ কবির। রাত ১টার দিকে বাসটি চাকলার ছন্দা এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারায় এতে বাসটি সেতুর নিচে খাদে পড়ে যায়।
শিক্ষক রাশেদ কবিরসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। খবর পেয়ে দমকল বাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে রাশেদ কবিরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মো. দিলওয়ার হাসান ইনাম বলেন, ঘটনার পরই বাসের চালক, সহকারী ও সুপারভাইজার পালিয়ে গেছেন। বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আওয়াল কবির বলেন, রাশেদ কবির স্ত্রীসহ ওই বাসে ঢাকার আরামবাগের বাসা থেকে ফিরছিলেন। তার স্ত্রী সুস্থ আছেন।
এদিকে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার হাটঘাটা এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামী শ্যামলী পরিবহনের বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের তিন আরোহীর মৃত্যু হয়। আহত হন মাইক্রোবাসের ৫ যাত্রীসহ অন্তত ১৫ জন। আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে মাইক্রোবাস আরোহী আরো তিন জনের মৃত্যু হয়।
এছাড়া খুলনার রাজবন্দ নামক স্থানে বাস ও ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।