বন্যার পানি নেমে গেলেই রাস্তাঘাট ও অন্যান্য অবকাঠামোর সংস্কার কাজ শুরু হবে—ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা দেয়া হবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
রোববার দিনাজপুর জিলা স্কুল মাঠে ত্রাণ বিতরণের আগে সংক্ষিপ্ত ভাষণে এ কথা বলেন তিনি।
এ সময় তিনি আরো বলেন, বন্যা কবলিত এলাকায় খাদ্য সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।
বন্যায় শঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই, পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
সকাল ১০টার দিকে হেলিকপ্টারের করে দিনাজপুর গোর-এ শহীদ বড় ময়দানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে দিনাজপুর জেলা আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ বিতরণ শেষে বক্তব্য রাখেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সার্বিক সহায়তা ও খাদ্য সরবরাহ অব্যাহত থাকবে— বন্যায় যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা মেরামত করে দেয়া হবে।
তিনি জানান, যে সকল শিক্ষার্থীদের বইখাতা বন্যার পানিতে ভেসে গেছে তাদের নতুন করে বই দেয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, নতুন ফসল ঘরে না ওঠা পর্যন্ত বন্যার্তদের সহায়তা দেয়া হবে।
এ সময় বন্যার্তদের জন্য সার্বক্ষণিক সহযোগিতা ও খোঁজ-খবর নিতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন তিনি।
পরে বিকেলে দিনাজপুর থেকে কুড়িগ্রাম গিয়ে জেলার রাজারহাট উপজলায় বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ দুর্যোগে বানভাসী মানুষের ওপর ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ না দিতে বেসরকারি সংস্থাগুলোর ওপর আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।