বঙ্গবন্ধু সেতুরপূর্ব দক্ষিণে গাইড বাঁধে ব্লক ধসে গিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে।
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার গরিলাবাড়ির সেতু এলাকা যমুনা নদীতে এ ভাঙন শুরু হয়েছে। শনিবার থেকে অব্যাহতভাবে সেতুর গাইড বাঁধে ধস ও ভাঙনরোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বিবিএ কর্তৃপক্ষ। অতি ভাঙনের ফলে নদীর প্রবাহ ব্যাহত হয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা হতে পারে বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ শুষ্ক মৌসুমে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করাই এখন নদী ভাঙন হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় দিন দিন ভাঙন বাড়ছে বলেও স্থানীয়রা অভিযোগ করেন।
এদিকে, পানি কমতে থাকায় জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে দুর্ভোগ কমেনি বানভাসী মানুষেদের। বাহাদুরাবাদ পয়েন্টে যমুনার পানি এখনো বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
জামালপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় এখনো বাড়ি-ঘর,রাস্তা-ঘাট, ফসলী জমি বন্যার পানিতে নষ্ট হয়ে গেছে। জেলার প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। এখনো বন্ধ রয়েছে সহস্রাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সেই সাথে ৩২টি আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয়া মানুষের মাঝে সরকারি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। সেই সাথে বেসরকারি উদ্যেগে চলছে ত্রান তৎপরতা।
বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত ঠাণ্ঠা-জ্বর, পেটের পীড়াসহ নানারোগ। এছাড়া খাবার, পানি ও গো-খাদ্যের অভাবের মধ্যে দিন পার করছে বানভাসী মানুষেরা। স্বাস্থ্য বিভাগের ৭৭টি মেডিকেল টিম কাজ করছে দুর্গত এলাকায় বলে জানা গেছে।