দেশের মধ্যাঞ্চল ছাড়া বেশিরভাগ এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। তবে বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন বন্যার্তরা। পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে ফসল, ভেসে গেছে মাছ, ভেঙ্গে গেছে সড়ক।
কুড়িগ্রাম :
বন্যার পানির তোড়ে ভেঙ্গে পড়া ঘরবাড়ি মেরামতের চেষ্টা করছেন কুড়িগ্রামের মানুষ। অনেকের বাড়িঘর মেরামতের সামর্থও নেই। পানি নেমে গেলেও মাথা গোজার ঠাঁইটুকু হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা। সরকারি বেসরকারিভাবে ত্রাণ বিতরণ করা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপ্রতুল বলে অভিযোগ ক্ষতিগ্রস্তদের।
গাজীপুর :
গাজীপুরে নদ-নদীর পানি বেড়েই চলেছে— কালিয়াকৈরের ঢালজোড়, আটাবহ, সূত্রাপুর ও শ্রীফলতলীর চারটি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। কাঁচা-পাকা রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় পানি ভেঙেই যাতায়াত করছেন এলাকাবাসী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা। বন্যায় মাছের খামার তলিয়ে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন খামারিরা।
মাদারীপুর :
মাদারীপুরে পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ'র পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নদী ভাঙ্গন তীব্র হচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় শিবচরের চরজানাজাত ও কাঁঠালবাড়িতে চেয়ারম্যানের বাড়িসহ বিলীন হয়েছে শতাধিক ঘরবাড়ি। হুমকির মুখে এলাকার একমাত্র মাধ্যমিক বিদ্যালয় ইলিয়াছ আহমেদ চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়সহ চারটি প্রাথমিক স্কুল, ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, কমিউনিটি ক্লিনিকসহ অনেক স্থাপনা।
মৌলভীবাজার :
মৌলভীবাজারে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি নেই— প্রায় ৫ মাস ধরে পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন হাকালুকি ও কাওয়ারদীঘি হাওরের মানুষ। খাদ্য ও ওষুধসহ ত্রাণের জন্য হাহাকার বিরাজ করছে এলাকাজুড়ে।