ইয়াসমিন ট্র্যাজেডি দিবস আজ বৃহম্পতিবার।
বিগত ১৯৯৫ সালের এদিনে দিনাজপুরে একদল পুলিশ সদস্য গণধর্ষণের পর হত্যা করে ইয়াসমিনকে। প্রতিবাদে কোতোয়ালী থানা ঘেরাও করে বিক্ষুব্ধ জনতা। ওইসময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন ৫ জন। সেই থেকে সারাদেশে "নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস" হিসেবে পালিত হচ্ছে দিনটি।
দিনাজপুর শহরের রামনগর এলাকার কিশোরী ইয়াসমিনকে ১৯৯৫ সালের ২৪আগস্ট গণধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এর প্রতিবাদে ২৭ আগস্ট জনতা দিনাজপুরের কোতয়ালী থানা ঘেরাও করে। ওইসময় তাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালায় পুলিশ। গুলিতে নিহত হন ৫ জন। অবশ্য, পরবর্তীতে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত পুলিশ সদস্যদের ফাঁসি হয়েছে।
একমাত্র মেয়েকে হারানোর দুঃখ আজও তাড়া করে বেড়ায় ইয়াসমিনের মাকে।
সেদিনের নিহতদের কথা স্মরণ করে প্রতিবাদী দিনাজপুরবাসীর সাহসিকতার বিষয়টা তুলে ধরেন স্থানীয় সাংস্কৃতিক কর্মীরা।
দিনাজপুরে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভানেত্রী কানিজ রহমান বলেন, সেদিনের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল জেলা মহিলা পরিষদ।
সংগঠনটির সভানেত্রী জানান, ইয়াসমিন মারা যাওয়ার পর থেকেই মূলত সারাদেশে এই দিনটি পালিত হচ্ছে "নারী নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস" হিসেবে।
এ ধরনের নির্মম ও বর্বোরোচিত ঘটনা যাতে আর না ঘটে সেজন্য নারী-পুরুষ সম্মিলিতভাবে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নামবে এমনটাই সবার চাওয়া।