ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা ও সুরমাসহ দেশের প্রধান নদ-নদীর পানি কমতে থাকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে এখনো পানিবন্দি অবস্থায় দুর্ভোগে রয়েছেন লাখো মানুষ। রাজধানীর আশপাশের নদ-নদীর পানিও কমতে শুরু করেছে।
সিরাজগঞ্জ :
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘন্টায় ১১ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ২৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি কমলেও জেলা সদর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী, উল্লাপাড়া ও শাহাজাদপুর উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে অনেক মানুষ এখনও পানি বন্দি রয়েছেন।
নাটোর :
নাটোরের সিংড়ায় আত্রাই নদীর পানি দুই সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৯৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাড়িঘর তলিয়ে যাওয়ায় অনেকেই পরিবার নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। বানভাসি মানুষের মাঝে প্রতিদিনই ত্রাণ বিতরণ করছে সরকারি-বেসরকারি সংগঠন।
কুড়িগ্রাম :
কুড়িগ্রামে বন্যার পানি নেমে গেলেও জলাবদ্ধতায় চিলমারী উপজেলার রমনা ও থানাহাট ইউনিয়নের দুইশরও বেশি ঘরবাড়ি তলিয়ে গেছে। এখানে সরকারি-বেসরকারি ও ব্যক্তিগত পর্যায়ে ত্রাণ বিতরণ চলছে।
গাজীপুর :
গাজীপুরের কালিয়াকৈরের ৪টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল বন্যার পানিতে প্লাবিত হওয়ায় মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
জামালপুর :
জামালপুরের মেলান্দহে বন্যার্তদের চিকিৎসা সেবায় ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প করে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র সাভার। পরে দুইশরও বেশি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।
মৌলভীবাজার :
মৌলভীবাজারে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্বক অবনতি হয়েছে। গত চার মাসে কয়েক দফা বন্যার জলাবদ্ধতার সঙ্গে গত দুই দিনের ভারী বর্ষণে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে হাওর তীরবর্তী একাধিক গ্রামে। এরই মধ্যে বাড়ি ঘর ছেড়ে অন্যত্র চলেগেছে অনেক পরিবার।