ফুলবাড়ী ট্র্যাজেডি দিবস আজ শনিবার পালন করা হচ্ছে।
বিগত ২০০৬ সালের এই দিনে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন প্রকল্প বাতিল ও বিদেশি কোম্পানি এশিয়া এনার্জিকে প্রত্যাহারের দাবিতে উত্তাল হয়ে ওঠে ফুলবাড়ী। আন্দোলন ঠেকাতে লাঠিচার্জ ও গুলি চালায় পুলিশ। সরকারি হিসেবে তিন জন আর বেসরকারি হিসেবে ছয় জন নিহত হন সেদিন। আহত হয় দুশরও বেশি মানুষ। তাদের সেই দাবি বাস্তবায়ন হয়নি আজও।
উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনি প্রকল্প বাতিল, জাতীয় সম্পদ রক্ষা ও এশিয়া এনার্জীকে ফুলবাড়ী থেকে প্রত্যাহার।
এ দাবিতে সেদিন, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফুলবাড়ীর ঢাকা মোড়ে সাধারণ মানুষের ভিড় জমান। আন্দোলন ঠেকাতে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও সাবেক বিডিআর বর্তমানে বিজিবি সদস্যরা ব্যারিকেড দেয়। নিমতলা মোড়ে বিক্ষোভকারীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ, চলে গুলিবর্ষণ। তিনজন নিহত ও আহত হয় দুশরও বেশি মানুষ।
সেদিনের আন্দোলনকারীদের একজন বাবুল রায়ের অভিযোগ, ফুলবাড়ীতে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনি তৈরি করার পাঁয়তারা এখনো চলছে। তাই আইন করে উন্মুক্ত পদ্ধতিতে কয়লা খনি বাতিলের দাবি তাদের।
এশিয়া এনার্জিকে প্রত্যাহার ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণসহ ফুলবাড়ীবাসীর ছয় দফা দাবির সমর্থন জানায় তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগ।
বর্তমানে সেই দল সরকারে থাকলেও দাবিগুলো বাস্তবায়নে আজও কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি বলে জানান আন্দোলনকারী নেতা সাইফুল ইসলাম জুয়েল ও মেয়র-আন্দোলনের নেতা মুরতুজা সরকার মানিক।