গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে হাওরে পানি বৃদ্ধিতে কাউয়াদীঘি হাওরাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
মৌলভীবাজার সদর এবং রাজনগর উপজেলায় বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে বানভাসি শত শত মানুষ বাড়ি ঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছেন।
প্রতিদিন আশ্রয়কেন্দ্রে বানভাসি মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। এ পর্যন্ত অন্তত ৩০টি মতো আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এতে তিন শতাধিক পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। অনেকে আশ্রয়কেন্দ্রে জায়গা না পেয়ে গরু ছাগল নিয়ে বাঁধের উপর উঠেছেন।
হাকালুকি হাওরাঞ্চলে বড়লেখা,জুড়ী, কুলাউড়া উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। জেলার ৬ টি উপজেলার অধিকাংশ এলাকার রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
কয়েক দফায় পানি বৃদ্ধিতে বসতবাড়ি ঘর ভেঙে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। কাজ বন্ধ থাকায় ঘরে ঘরে খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। ত্রাণ দেয়া হলেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে অভিযোগ দুর্গত মানুষদের।
বন্যা কবলিত মানুষকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য ব্যাপক ত্রাণ সহায়তার দাবি জানান রাজনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আছকির খাঁন।