শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি রুটে এখনো ১২টি ফেরি বন্ধ থাকায় কার্যত অচল হয়ে পড়েছে রুটটি।
কর্মস্থল মুখো যাত্রীদের ভীড়ে লঞ্চ-স্পিডবোটে বাড়তি ভাড়া আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে, আজ- বুধবার সকাল থেকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে লঞ্চ ও স্পিডবোট হয়ে কর্মস্থলমুখো যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় রয়েছে।
স্পিডবোটে যাত্রী প্রতি ১২০ টাকার এবং ২০০ টাকা এবং লঞ্চেও ভাড়া বাড়িয়ে আদায় করার অভিযোগ উঠেছে।
দেশের ব্যস্ততম শিমুলিয়া-কাঠালবাড়ি নৌরুটের নাব্যতা সংকট ও ডুবোচর প্রকট আকার ধারন করায় অচলাবস্থা সৃস্টি হয়েছে।
গত ১০ দিনে পানি কমেছে ৬২ সে.মিটার, দ্রুত পানি কমায় এ প্রকট আকার ধারন করেছে।
উচ্চ ড্রাফটের ৪টি রো রো ফেরি, একটি কেটাইপ ফেরি ৩ দিন ধরে ৭টি ডাম্ব ফেরি বন্ধ রয়েছে। অন্য ৭টি ফেরি কোনোরকমে হালকা যানবাহন নিয়েও ডুবোচর ঘেষে চরম ঝূঁকি নিয়ে চলছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দীর্ঘ সময় ব্যয় করে কোনোরকমে মাত্র ১৫টি ট্রিপ দিয়েছে ফেরিগুলো।
কার্যত অচল হয়ে পড়েছে ফেরি সার্ভিস— কয়েকদিন ধরে ডুবোচরে আটকে থাকা ফেরি দুটি গতরাতে উদ্ধার করা হয়েছে।
তীব্র স্রোত থাকায় ২টি চায়না ড্রেজার ড্রেজিং চালালেও কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ফরিদপুরের ভাঙ্গা মোড় থেকে পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস পুলিশ ফিরিয়ে দিলেও ঘাটে যে সকল হালকা যানবাহন আসছে সেগুলোও ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রয়েছে। এতে বিশেষ করে নারী ও শিশু যাত্রীরা পড়েছেন চরম দুর্ভোগ।