পটুয়াখালীতে চালু হতে যাচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের কার্যক্রম— এরমধ্য দিয়ে এক হাজার ৫০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সুবিধাসহ নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেটে সংযুক্ত হবে গোটা দেশ।
একই সঙ্গে দেশের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।
আগামীকাল- রোববার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশনের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
বর্তমানে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ কোটি— ক্রমেই বাড়ছে এ সংখ্যা।
এ সেবার মান বাড়াতে ২০১৩ সালে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় মাইটভাঙ্গা গ্রামে ১০ একর জমির উপর ৬৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডি স্টেশনের কাজ শুরু হয়।
স্টেশন নির্মাণের মাধ্যমে ইউরোপ থেকে সিঙ্গাপুর হয়ে বঙ্গোপসাগরের নিচ দিয়ে ২৫ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সাবমেরিন ক্যাবল দেশের ইন্টারনেট সেবার সঙ্গে যুক্ত হয়।
এর মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সুবিধাসহ নিরবিচ্ছিন্ন ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে বলে জানান বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল টেলিযোগাযোগের আঞ্চলিক প্রকল্প পরিচালক পারভেজ মনন আশরাফ।
বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানির জেনারেল ম্যানেজার মো. মশিউর রহমান বলেন, দেশের প্রথম সাবমেরিন কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন রয়েছে কক্সবাজার, এ প্রকল্পটির লাইফ টাইম শেষে দ্বিতীয় প্রকল্প দিয়েই পুরো দেশে ইন্টারনেট সেবা পাওয়া যাবে।