কক্সবাজারের টেকনাফে বঙ্গোপসাগর থেকে এক রোহিঙ্গা কন্যা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে টেকনাফের পশ্চিমপাড়া সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মইনুদ্দিন খান বলেন, বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাবাহী নৌকা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ পালিয়ে আসার সময় নৌকা ডুবির ঘটনায় শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
এ পর্যন্ত নারী শিশুসহ ১১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন অনেকে।
মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের ভীড়ে জনাকীর্ণ কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকা। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানায়, ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার রোহিঙ্গা। রোহিঙ্গাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ৭৭ মিলিয়ন ডলার চাওয়া হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।
গত ২৯ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরে মোট ২৩টি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে।
এ পর্যন্ত ১১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তার মধ্যে শিশু ৫৬, নারী ২৯ ও পুরুষ ২৩ জন।
জানাগেছে, মিয়ানমার রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনীর দমপ-পীড়নের শিকার হয়ে কক্সবাজার, টেকনাফ ও বান্দরবানের সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ অব্যাহত রয়েছে।
তাদের জন্য আশ্রয়ের পাশাপাশি খাদ্য ও পানীয় সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে সরকার।
এছাড়া, চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন অনেক রোহিঙ্গা।
গত মাসের ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে পুলিশ ফাঁড়ি ও সেনা ক্যাম্পে হামলার পর সেনা অভিযানের প্রেক্ষাপটে ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ সীমান্তে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল নেমেছে।