নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে তালিকাভুক্তির কাজ এগিয়ে চলছে।
এরপর তাদের দেয়া হচ্ছে ছবিসহ শরণার্থীর পরিচয়পত্র। রোহিঙ্গা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিবন্ধনের এই কাজে সরকারকে সহযোগিতা করছেন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরাও।
মিয়ানমারে বিভিন্ন সময়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে যেসব রোহিঙ্গা এদেশে পালিয়ে এসেছেন তাদের অনেকেই কুতুপালং আশ্রয় শিবিরে। সম্প্রতি নতুন করে দমনপীড়ন শুরু হলে গত ২০ দিনে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা রাখাইন রাজ্য থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের থাকার জন্য কুতুপালংয়ের বালুখালীতে প্রায় দুই হাজার একর জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে আরো একটি অস্থায়ী নিবাস। যেখানে নতুন করে আসা রোহিঙ্গাদের একত্রিত করা হবে।
নতুন রোহিঙ্গাদের সংখ্যা নির্ধারণ ও ত্রাণসহ সব কাজে সহযোগিতার লক্ষ্যে চলছে তাদের তালিকাভুক্তির কাজ। পরে কুতুপালং শরণার্থী শিবিরের আই সি টি সেন্টারে রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে নিবন্ধনের কাজ করছেন বিজিবি সদস্যরা। আর এ কাজে সহযোগিতা করছে জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা-- আইওএমসহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
নিবন্ধনের সঙ্গে সঙ্গেই রোহিঙ্গাদের পরিচয়পত্র দিয়ে দেয়া হচ্ছে। ছবিযুক্ত এই পরিচয়পত্রে থাকছে অভিভাবকের নামসহ মিয়ানমারের স্থায়ী আবাসস্থলের ঠিকানা।
তালিকাভুক্তির পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণও অব্যাহত আছে।