মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের স্বাস্থ্য কার্যক্রমের আওতায় আনার উদ্যেগ নিয়েছে প্রশাসন। রোহিঙ্গা শিশুদের টিকা কার্যক্রম রোববার এরইমধ্যে শুরু করা হয়েছে।
এরমধ্যেই চার জন হাম, ১৬ পোলিও একজন এইচআইভি রোগী সনাক্ত করা হয়েছে— তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়াসহ যাতে রোগ কোথাও ছড়িয়ে না পড়ে সে দিকেও সর্তকর্তা অবলম্বন করা হচ্ছে।
রোহিঙ্গা যাতে ক্যাম্পের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে না পারে তার জন্য ২৭টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। রোহিঙ্গাদের পার্সপোট ও তাদের যাতে কেউ এদেশে বিয়ে না করে সে ব্যাপারেও সর্তকতা জারি করা হয়েছে।
এদিকে, শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বাড়ি ভাড়া দিতে না অনুরোধ করেছে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শরণার্থী হিসেবে তাদের আশ্রয় শিবিরেই থাকতে হবে।
গত ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে হামলার পর রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়ন শুরু হয়। এর ফলে বাংলাদেশ সীমান্তে নতুন করে রোহিঙ্গা শরণার্থীর ঢল শুরু হয়। জাতিসংঘের হিসেবে এ পর্যন্ত চার লাখের মত রোহিঙ্গা বাংলাদেশে ঢুকেছে এবং পরিস্থিতির উন্নতি না হলে তা ১০ লাখে পৌঁছাতে পারে।
তবে অভিযোগ রয়েছে, ২৫ আগস্ট ভোরে মংডুর নিরাপত্তা চৌকিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার অভিযোগ তুলে সেনা অভিযান শুরু হলেও তার বেশকিছু দিন আগেই মংডুতে অবস্থান নিতে শুরু করে মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তারা ২ আগস্ট একটি গ্রাম দখর করে বৌদ্ধ মিলিশিয়াদের নিয়ে রোহিঙ্গাদের ওপর হামলা ও তাদের বাড়িঘরে আগুন দেয়। এরপর থেকেই বাড়ানো হয় সেনাসদস্যদের উপস্থিতি। এ সময় সরিয়ে নেয়া হয় বৌদ্ধদের। এরপর ২৫ আগস্ট হামলার দাবি করে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন্স’ শুরু করে মিয়ানমারের সেনারা।