রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের জন্য শেড নির্মাণ কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। খোলা হয়েছে ৯টি লঙ্গরখানা- যেখানে প্রতিটিতে ৫০ হাজার শরণার্থীকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকছে।
এদিকে, রোহিঙ্গাদের খোঁজ নিতে গত দুদিন কুতুপালং, বালুখালিসহ বিভিন্ন স্থানের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
বালুখালীসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে কাদের বলেন, আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জন্য সবকিছুই করছে সরকার কেউই না খেয়ে থাকবে না।
এছাড়া উখিয়ার কুতুপালংয়ে হাতির আক্রমণে শিশুসহ ২ রোহিঙ্গা নিহত ও আহত হয়েছেন ৩ জন।
কক্সবাজারের কুতুপালং ও উখিয়া:
১৪টি পয়েন্ট দিয়ে দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসছেন মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা। এদের জন্য শেড নির্মাণে এরইমধ্যে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এছাড়াও খোলা হয়েছে ৯টি লঙ্গরখানা। যেখানে প্রতিটি লঙ্গরখানায় ৫০ হাজার শরণার্থীকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া, ১১টি নির্দিষ্ট পয়েন্টে জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে ত্রাণ বিতরণ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
এরইমধ্যে, রোহিঙ্গা শিশুদের টিকাদান ও স্বাস্থ্য সেবার কাজ শুরু হয়েছে। প্রথম দিনের কর্মসূচিতে আট হাজার ৭০৩ জন শিশুকে টিকা দেয়া হয়। এরমধ্যে পোলিও টিকা নিয়েছে চার হাজার ৯৮৩ জন। শরণার্থীদের মধ্যে চারজন হাম, ১৬ জন পলিও এবং একজন এইচআইভি রোগি সনাক্ত হয়েছে। তাদের যথাযথ চিকিৎসা দেয়াসহ রোগ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সে দিকেও সর্তকর্তা অবলম্বন করা হচ্ছে।
এছাড়া, কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্য হাতির আক্রমণে দুজনের মৃত্যু ও আহত হয়েছেন আরও ৫ রোহিঙ্গা। সোমবার ভোরে উখিয়ার কুতুপালং মধুরছড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এঘটনা ঘটে। জানা গেছে, উখিয়ার কুতুপালং মধুরছড়া নামক স্থানে বন্যহাতি চলাচলের রাস্তায় গড়ে উঠা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একদল বন্যহাতি আক্রমণ চালায়।
এসময়, ২ জন রোহিঙ্গা হাতির পায়ে পিস্ট হয়ে মারা যায়। এসময়, ছোটাছুটি করতে গিয়ে আরও ৫ জন আহত হয়েছেন।