আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগই নিরাপত্তা পেলে নিজ দেশে ফিরে যেতে চান— তবে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচার-নির্যাতন, হত্যা-খুন আর আগুনের বীভিষিকার কথা মনে করে অনেকেই আতঙ্কিত। সেই দুঃসহ অভিজ্ঞতা মনে করে এখনো আঁতকে ওঠেন তারা।
মিয়ানমারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর সে দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর নির্যাতনের বর্ণনা শুনলে শিউরে উঠতে হয়। বৃদ্ধ, শিশু থেকে শুরু করে কেউই এই নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। অসহায় এসব মানুষের কান্নায় এখন উখিয়া আর টেকনাফের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
নিজেদের দেশে জমি-জমা-ঘরবাড়ি সবই ছিল। সব ফেলে, সব প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে ছুটে এসেছেন বাংলাদেশে। কেবল বেঁচে থাকার আশায়।
রাখাইনে মিয়ানমার বাহিনীর ত্রাসের বীভিষিকার স্মৃতি তাদেরও তাড়া করে ফিরছে তাই সহায়-সম্পত্তি সব থাকলেও পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অনেকেই আর ফিরতে চান না নিজ দেশে।
গত মাসের ২৪ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে পুলিশ ফাঁড়ি ও সেনা ক্যাম্পে হামলার পর সেনা অভিযানের প্রেক্ষাপটে ২৫ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ সীমান্তে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ঢল নেমেছে।