ওএমএসে চালসহ নিত্যপণ্য বিক্রি শুরুর পর রাজধানীর বাজারে কমতে শুরু করছে চালের দাম। নগরীর বিভিন্ন বাজারে দেখা যায় প্রতি কেজিতে চালের দাম কমেছে অন্তত দুই টাকা করে।
এতে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করলেও চালের দাম নাগালের মধ্যে আনতে তাগিদ দেন তারা।
এদিকে, আজ থেকে উপজেলা পর্যায়ে খোলা বাজারে আতপ চাল বিক্রি শুরু হয়েছে।
সারাদেশের জেলা শহরগুলোতে গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে সরকার ওএমএস কর্মসূচিতে ১৫ টাকা কেজির চাল বিক্রি ৩০ টাকায় বিক্রি শুরু করেছে। একই সঙ্গে বিক্রি করা হচ্ছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য।
রাজধানীতে ওএমএস কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে কম দামে চাল কিনতে পেরে খুশি নিম্নবিত্ত মানুষ। তবে চালের দাম সহনশীল পর্যায়ে আনতে সরকারে প্রতি দাবি জানান তারা।
স্বল্পমূল্যে চাল বিক্রি কর্মসূচির অংশ হিসেবে নাটোর জেলায় মোট ৩৬ জন ডিলারের মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে ওএমএস-এর চাল বিক্রি শুরু হয়েছে। নড়াইলে খোলা বাজারে ওএমএস চাল বিক্রিতে ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। এদিকে, কুমিল্লায় ওএমএসের চাল বিক্রি শুরু হলেও অনেক বিক্রয়কেন্দ্র ক্রেতা শূন্য দেখা গেছে। বিক্রয় প্রতিনিধিরা জানান, এ অঞ্চলে ভাতের জন্য আতপ চাল ব্যবহৃত না হওয়ায় এ চাল কিনতে ক্রেতাদের আগ্রহ নেই।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে দুই মন্ত্রীর সঙ্গে ব্যবসায়ীদের বৈঠকে কয়েকদিনের মধ্যেই চালের দাম কেজিতে দুই থেকে তিন টাকা কমানোর আশ্বাস দেন ব্যবসায়ীরা।
এদিকে, নিম্ন আয়ের মানুষের মধে স্বল্প মূল্যে সরবরাহের লক্ষ্যে আজ-বুধবার থেকে উপজেলাপর্যায়ে খোলা বাজারে আতপ চাল বিক্রি শুরু হয়েছে।
প্রতি কেজি ৩০ টাকা দরে একজন ব্যক্তি ৫ কেজি চাল কিনতে পারবেন। তবে আতপ চাল বিক্রি করায় ক্রেতাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।