মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে আসা রোহিঙ্গাদের সমস্যা নিরসনে চীন ভূমিকা রাখতে আগ্রহ প্রকাশের একদিনের মধ্যেই বুধবার ত্রাণবাহী প্রথম বিমান চট্টগ্রামে এসে পৌঁছেছে।
সকাল সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘চায়না কার্গো’ বিমানে করে ৫৭ দশমিক শূন্য তিন টন ত্রাণ আসে।
গত সোমবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে চীনের রাষ্ট্রদূত মা মিং চিয়াং জানান, দেশটির পক্ষ থেকে মোট ১৫০ টন জরুরি ত্রাণ দেয়া হবে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, চীনের প্রথম ত্রাণবাহী বিমান এসেছে আরেকটি বিমান বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টায় এসে পৌঁছাবে।
তিনি বলেন, দুটি বিমানের ত্রাণই আগামীকাল আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। ওই অনুষ্ঠানে চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
তিনি আরো বলেন, ত্রাণবাহী বিমানটিতে দুই হাজার দুইশ তাবু রয়েছে যার মোট ওজন ৫৭ দশমিক শূন্য তিন টন।
রোহিঙ্গাদের জন্য বুধবার বিকালে যুক্তরাজ্য থেকেও আরেকটি ত্রাণবাহী বিমান এসে পৌঁছাবে বলে জানান এই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের জন্য এখন পর্যন্ত বিভিন্ন দেশ, রেডক্রস ও রেডক্রিস্টেন্ট মিলিয়ে প্রায় ৫৫০ টনের মত ত্রাণ চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে এসেছে।
এর মধ্যে ভারত দুটি বিমানে ১০৭ টন, চীন একটি বিমানে ৫৭ টন, সৌদি আরব একটি বিমানে ৯৪ টন, ইন্দোনেশিয়া আটটি বিমানে করে ৭৭ টন, ইরান দুটি বিমানে ৬৮ টন, মরক্কো একটি বিমানে ১৪ টন ও মালয়েশিয়া একটি বিমানে ১২ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে।
এছাড়া মালয়েশিয়ান রেড ক্রিসেন্ট ১০১ দশমিক পাঁচ টন ও জাপানি রেডক্রস ১৮ দশমিক পাঁচ টন ত্রাণ পাঠিয়েছে।
রোহিঙ্গাদের জন্য ভারত থেকে মোট সাত হাজার টন ত্রাণ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা।