মিয়ানমারের সহিংসতা থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য ভারতের দেয়া তৃতীয় দফায় ৭০০ টন ত্রাণ নিয়ে নৌবাহিনীর একটি জাহাজ আইএনএস ঘড়িয়াল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বন্দরের ১ নম্বর জেটিতে এসে পৌঁছেছে।
এদিকে, চীন থেকে বৃহস্পতিবার আসা দ্বিতীয় চালানে রয়েছে তিন হাজার কম্বল। বাংলাদেশে চীন দূতাবাসের ইকোনমিক অ্যান্ড কমার্শিয়াল কাউন্সেলর লি গুয়াংজুন বিমানবন্দরে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের কাছে এই ত্রাণ হস্তান্তর করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বন্দর জেটিতে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসকের কাছে এসব ত্রাণ হস্তান্তর করেন।
চট্টগ্রাম বন্দর, নৌবাহিনী, ভারতীয় নৌবাহিনী, চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশন ও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
ভারত থেকে তৃতীয় দফায় আসা এ ত্রাণের মধ্যে রয়েছে চাল, ডাল, লবণ, চিনি, চা, গুঁড়ো দুধ, বিস্কুট, সাবান ও মশারি। মোট ৬২ হাজার প্যাকেটে এই ত্রাণ বিতরণের জন্য তৈরি করা হয়েছে বলে হাই কমিশনের কর্মকর্তারা জানান।
এর আগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ৫৩ টন এবং পরদিন আরও ১০৭ টন ভারতীয় ত্রাণ চট্টগ্রাম পৌঁছায়।
মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে নতুন করে দমন-পীড়নের মুখে গত এক মাসে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
মিয়ানমারের মিত্র ভারত রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের দমনে দেশটির সরকারকে সমর্থন দিলেও পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীর অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের সংস্থানে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে।
গতকাল রোহিঙ্গাদের সমস্যা নিরসনে চীন ভূমিকা রাখতে আগ্রহ প্রকাশের একদিনের মধ্যেই বুধবার ত্রাণবাহী প্রথম বিমান চট্টগ্রামে এসে পৌঁছায়।
সকাল সাড়ে ৮টায় চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ‘চায়না কার্গো’ বিমানে করে ৫৭ দশমিক শূন্য তিন টন ত্রাণ আসে।