কক্সবাজারের ইনানী সৈকতে রোহিঙ্গাবাহী নৌকাডুবিতে বৃহস্পতিবার শিশুসহ ১৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এতে আহত অবস্থায় ৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পরিচয়পত্রে জাতীয়তা ও দেশের নাম নিয়ে আপত্তি তুলে কক্সবাজারের নিবন্ধন কেন্দ্রে আসছে না রোহিঙ্গা শরণার্থীরা।
নিবন্ধন কার্যক্রমের প্রধান মেজর কাজী উবায়দুর রেজা জানিয়েছেন, ১১ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া নিবন্ধনের পরিচয়পত্রে "মিয়ানমার" ও "রোহিঙ্গা" লেখা হচ্ছিল। পরে লেখা হয় "মিয়ানমার" ও "মুসলিম" শব্দ দুটি। সবশেষ লেখা হচ্ছিল শুধুমাত্র "মিয়ানমার"।
তিনি বলেন, কিন্তু রোহিঙ্গাদের অনেকে দাবি, পরিচয়পত্রে তাদের মিয়ানমারের রোহিঙ্গা হিসেবে উল্লেখ করতে হবে। এ কারণে তারা নিবন্ধন কেন্দ্রে আসছেন না। কুতুপালংয়ে ১২টি ও নয়াপাড়ায় ১৮টি বুথের মাধ্যমে চলা নিবন্ধন কার্যক্রমে মঙ্গলবার পর্যন্ত প্রায় ২১ হাজার শরণার্থী নিবন্ধিত হয়েছেন।
এদিকে, ভারত থেকে তৃতীয় দফায় ৭০০ টন ত্রাণ এসেছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজ আইএনএস ঘড়িয়াল ওই ত্রাণ নিয়ে ভোরে চট্টগ্রাম বন্দরের এক নম্বর জেটিতে পৌঁছায়। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বন্দর জেটিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে এসব ত্রাণ হস্তান্তর করেন। এছাড়া চীনের ২য় দফা ত্রাণও এসে পৌঁছেছে।